পুলিশের সাহায্যে বিএনপির মিছিল, অত:পর লাঠিপেটা-গ্রেপ্তার
দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সাজার প্রতিবাদের রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটা করে পুলিশ। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। তবে পুলিশের দাবি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘সহযোগিতায়’ বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মুকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে দৈনিক বাংলা মোড় ও ফকিরাপুল হয়ে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাওয়ার পর পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে।
বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এছাড়া রায়ে মামলার অন্য পাঁচ আসামির ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই রায়ের প্রতিবাদে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। কর্মসূচি অনুযায়ী আজ সারাদেশে বিক্ষোভ করছে দলটি।
দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এতে সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেয়। মিছিল করার সময় পেছনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল।
মিছিলে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী, নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক সিকদার প্রমুখ অংশ নেন।
মিছিলটি দৈনিক বাংলা মোড় ও ফকিরাপুল হয়ে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। এ সময় অফিসের উপর থেকে রিজভীসহ অন্য নেতারা হাত নেড়ে স্বাগত জানান। সেখানে পাঁচ মিনিটের মতো অবস্থানের পর পুলিশের ধাওয়ায় তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় নেতাকর্মীরা একটি গলিতে ঢুকে পড়লে বেশ কয়েকজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তবে পুলিশের মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) শিবলী নোমান জানান, বায়তুল মোকাররম থেকে যখন মিছলটা বের হয় তখন পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেয়া হয়নি। তবে কাকরাইল মোড় হয়ে তার যখন আবাসিক এলাকার দিকে যাচ্ছিল তখন মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা পেছন থেকে বাঁধা দেই। এ সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। ঠিক কতজনকে আটক করা হয়েছে এডিসি নোমান তা জানাননি।


No comments